ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬,
বেগম খালেদা জিয়ার বিদায়

তারকাদের শোক

দৈনিক সবুজ নিশান

ডিসেম্বর ৩১, ২০২৫, ০৪:৫১ পিএম

তারকাদের শোক

বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে শোবিজ অঙ্গনে। ফেসবুকে স্মরণ ও শোকবার্তায় তাকে বিদায় জানাচ্ছেন তারকারা। 

কণ্ঠশিল্পী কনকচাঁপা লিখেছেন, ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। সব চেষ্টা ব্যর্থ করে চলে গেলেন আমাদের নেত্রী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী, গণতন্ত্রের অতন্দ্র প্রহরী বেগম খালেদা জিয়া। আল্লাহ আপনি বেগম জিয়াকে উত্তম প্রতিদান দিন।

নগরবাউলখ্যাত কণ্ঠশিল্পী জেমস লেখেন, শোক ও বিনম্র শ্রদ্ধা, বাংলাদেশের নির্বাচিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে আমরা গভীর শোক প্রকাশ করছি (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মহান আল্লাহ তায়ালা যেন তাকে জান্নাতুল ফিরদাউসের সর্বোচ্চ মাকামে অধিষ্ঠিত করেন—আমিন। শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আমরা গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

চিত্রনায়ক শাকিব খান লিখেছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করছি। তার রুহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাই।

অভিনেত্রী জয়া আহসান লেখেন, বেগম খালেদা জিয়া বড় দুঃসময়ে বিদায় নিলেন। সামনে নির্বাচন আর গণতন্ত্রের জন্য মানুষ অপেক্ষা করছে। তার উপস্থিতির মূল্যই ছিল অসামান্য। সামরিক শাসন বিরোধী এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে বেগম জিয়া ছিলেন প্রধান একটি চরিত্র—সাহসে ও নেতৃত্বে উজ্জ্বল। তার সঙ্গে দেশের দীর্ঘ রাজনৈতিক আন্দোলনের একটি অধ্যায় শেষ হলো। তার আত্মা চির প্রশান্তি লাভ করুক।

অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন লিখেন, তার রূহের মাগফিরাত কামনা করি ও তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক ভূমিকা বাংলাদেশের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব লিখেছেন, মহান আল্লাহ তাকে জান্নাত নসিব করুক।

অভিনেতা আরিফিন শুভ  লেখেন, দেশের প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব বেগম খালেদা জিয়ার বিদায়—দীর্ঘ এক রাজনৈতিক অধ্যায়ের সমাপ্তি। আল্লাহ তাকে উত্তম মর্যাদা দান করুন।

অভিনেতা তারিক আনাম খান লেখেন, বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক জানাই। তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করি। শ্রদ্ধা জানাই বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রীর প্রতি। তার পরিবারের সকলের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা।

অভিনেতা সিয়াম আহমেদ বেগম খালেদা জিয়ার একটি সাদাকালো ছবি শেয়ার করে লেখেন, ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।

কণ্ঠশিল্পী দিলরুবা খান লেখেন, তার জীবনের অনেক স্মৃতির সঙ্গে খালেদা জিয়া জড়িয়ে আছেন। যার একটি আক্ষেপ আজীবন থেকে যাবে।

খ্যাতিমান উপস্থাপক হানিফ সংকেত লেখেন, সর্বজন শ্রদ্ধেয়, সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজ ৩০ ডিসেম্বর ভোর ছয়টায় আমাদের ছেড়ে চির বিদায় নিয়েছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার এই মৃত্যুতে জাতি হারিয়েছে একজন অভিভাবক। দেশ ও জাতির কল্যাণে তার অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়া লেখেন, ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। আল্লাহ তাকে ক্ষমা করুন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন। চিত্রনায়ক সিয়াম আহমেদ ও চিত্রনায়িকা পূজা চেরি খালেদা জিয়ার ছবি প্রকাশ করে তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেছেন।

নির্মাতা মাবরুর রশীদ বান্নাহ লেখেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রতীকের বিদায়। বিদায় আপসহীন নেত্রী, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। আল্লাহ আপনাকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করুন। নির্মাতা রেদওয়ান রনি তার শোকবার্তায় বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটল। তার আদর্শ ও নেতৃত্ব এ দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে প্রভাবিত করেছে।

চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস লেখেন, বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার এই চিরবিদায় মহাকালের সাক্ষী হয়ে রইল। একজন মহীয়সী নারীর প্রস্থান এ দেশের মানুষের হৃদয়ে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। বিনম্র শ্রদ্ধা।

চিত্রনায়িকা শবনম বুবলী লেখেন, বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তার বিদেহী আত্মা চিরশান্তিতে থাকুক। আমিন।

নির্মাতা আশফাক নিপুন লেখেন, আল্লাহ আপনাকে জান্নাত নসিব করুন। আপনি ছিলেন ধৈর্য, আভিজাত্য এবং হার না মানার এক অনন্য প্রতীক; এমনকি প্রতিপক্ষের অমানবিক আচরণের মুখেও আপনি দমে যাননি। এই জাতি আপনাকে সবসময় গর্বের সাথে মনে রাখবে।

অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা লেখেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের শক্তি, ধৈর্য ও নেতৃত্বের প্রতীক। প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপি চেয়ারপারসন হিসেবে তিনি জেল-জুলুম সহ্য করেছেন কিন্তু কখনো দেশ ছেড়ে যাননি, এ জন্যই তিনি ‘আপসহীন নেত্রী’। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে তার অবদান কখনো ভোলা সম্ভব নয়।

দৈনিক সবুজ নিশান

Link copied!