ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬,

স্বামীর পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত বেগম খালেদা জিয়া

দৈনিক সবুজ নিশান

ডিসেম্বর ৩১, ২০২৫, ০৫:১৩ পিএম

স্বামীর পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত বেগম খালেদা জিয়া

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে সংসদভবন এলাকার জিয়া উদ্যানে তার স্বামী সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে সমাহিত করা হয়েছে। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেল ৪.৪০মিনিটে তার দাফন সম্পন্ন হয়। এর আগে তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।

মায়ের কবরে মাটি দিয়ে দোয়া করেন তারেক রহমান। তার সাথে ছিলেন জিয়া পরিবারের সদস্যরা। দাফনের সময় বিএনপির চেয়ারপারসনের কবরে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জমানসহ তিন বাহিনীর প্রধান ও অন্যান্য সবাই মাটি দিয়ে খালেদা জিয়াকে সন্মান জানান। অন্যদিকে পরিবারের নারীর সদস্যরা হাত দিয়ে তার মরদেহ ছুঁয়ে দেন।

আজ বিকেল ৩টা ৩ মিনিটে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা ও মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে খালেদা জিয়ার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

এর আগে সকালে খালেদা জিয়ার মরদেহ এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে গুলশানের বাসভবনে নেওয়া হয়। প্রাথমিকভাবে কথা ছিল তার মরদেহ প্রথমে গুলশানে তার দীর্ঘদিনের বাসভবন ফিরোজায় নেওয়া হবে। কিন্তু পরে তার মরদেহবাহী গাড়িটি তারেক রহমানের গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাসায় নেওয়া হয়। সকাল ৮টা ৫৩ মিনিটের দিকে এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে খালেদা জিয়ার মরদেহ বের করা হয়। সকাল ৯টা ১৬ মিনিটে খালেদা জিয়ার মরদেহ গুলশান-২ এর নর্থ অ্যাভিনিউয়ে অবস্থিত ১৯৬ নম্বর বাসভবনে প্রবেশ করে। বাসভবনে মরহুমার কফিনের পাশে কিছু সময় অবস্থান করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে মায়ের কফিনের পাশে বসে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত করেন তারেক রহমান। এসময় বাসভবনে শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়। পরে মরদেহবহনকরী গাড়িবহর রওয়ানা হয় মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের পথে।

৮০ বছর বয়সী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে আর্থরাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, লিভার, ফুসফুস, হৃদ্‌যন্ত্র, চোখের সমস্যাসহ নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি লন্ডনে চিকিৎসা নিয়ে কিছুটা সুস্থ হয়ে দেশে ফেরেন। কিন্তু গত ২৩ নভেম্বর আবার হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় তাকে। দেড় মাসের মতো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর ৩০ ডিসেম্বর তিনি মারা যান।

দৈনিক সবুজ নিশান

Link copied!